image image image

বি.জি.বি

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বাংলা অর্থ:বাংলাদেশ সীমান্ত রক্ষক) বাংলাদেশের একটি আধাসামরিক বাহিনী। এর কাজ হল মূলত বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষা করা। এর সদর দপ্তর ঢাকার পিলখানায় অবস্থিত। বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের পূর্বে এর নাম ছিল ইস্ট পাকিস্তান রাইফেল্‌স (ইপিআর)।১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন তৎকালীন ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলসের (ইপিআর) সদস্যরা। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এ বাহিনীর রয়েছে গৌরবময় অবদান। স্বাধীনতাযুদ্ধে ইপিআরের ৮১৭ সদস্য মৃত্যুবরণ করেন। এদের মধ্যে ছিলেন নূর মোহাম্মদ শেখ ও মুন্সি আব্দুর রউফ।বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের পর ১৯৭২ সালে এর নাম হয় 'বাংলাদেশ রাইফেলস' (বিডিআর)। ২০১১ সালে পুনরায় নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় 'বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ' (বিজিবি)

১৭৯৫ সালের ২৯ জুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের গোড়াপত্তন হয়েছিল। তখন বাহিনীর নাম ছিল রামগড় লোকাল ব্যাটালিয়ন। সৈন্যসংখ্যা ছিল ৪৪৮। ছয় পাউন্ড গোলা, চারটি কামান এবং দুটি অনিয়মিত অশ্বারোহী দল নিয়ে রামগড় লোকাল ব্যাটালিয়ন গঠন করা হয়। সীমান্ত এলাকায় সমস্যা বৃদ্ধির কারণে এ বাহিনী পার্বত্য অঞ্চলের অভিযানে অংশ নেয়।

১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ শাসন থেকে ভারত বিভাগের পর ইস্টার্ন ফ্রন্টিয়ার্স রাইফেলসের নাম পরিবর্তন করে নাম রাখা হয় ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস। এর সংক্ষিপ্ত নামকরণ করা হয় ইপিআর। কলকাতা মেট্রোপলিটন আর্মড পুলিশের একটি দল এবং বাঙালি ও পশ্চিম পাকিস্তানের এক হাজার সেনা এ বাহিনীতে যোগ দেয়। দক্ষ নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনার জন্য ইপিআরে সামরিক বাহিনী থেকে সেনা কর্মকর্তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়।

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ৩ মার্চ ইপিআর বাহিনীকে পুনর্গঠন করে এর নাম রাখা হয় বাংলাদেশ রাইফেলস (বিডিআর)। ১৯৮০ সালের ৩ মার্চ থেকে এ বাহিনীর স্বীকৃতি হিসেবে সরকার একে জাতীয় পতাকা প্রদান করে। ১৯৯৭ সালের ১৬ মার্চ বিডিআর বাহিনীর জন্য তিন রঙের সংমিশ্রণে ছাপা কাপড়ের ইউনিফর্মের প্রবর্তন করা হয়। ২০০৯ সালে পিলখানা সদর দপ্তরে ঘটে যাওয়া ইতিহাসের বিভীষিকাময় নারকীয় হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে বিডিআরের ২১৫ বছরের গৌরবময় অধ্যায়ের ছন্দপতন ঘটে। এ বাহিনীর নাম ও পোশাক পরিবর্তন করে নতুন আইনও প্রবর্তন করা হয়। ২৩ জানুয়ারি ২০১১ বিজিবির পতাকা উত্তোলন করা হয়।

নামঃ বি.জি.বি।
সক্রিয়ঃ ১৯৭১ - বর্তমান ।
ভূমিকাঃ দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষা ।
অংশীদারঃ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
বি.জি.বি সদরঃ পিলখানা, ঢাকা - ১০০০ ।
ডাকনামঃ বি.জি.বি ।
শাখাঃ সীমান্তরক্ষী বাহিনী ।
নীতিবাক্যঃ সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী।
রংঃ মেরুন, মোচা, গাঢ় সবুজ, কালো ।
যুদ্ধসমূহঃ স্বাধীনতা যুদ্ধ ও ২০০১ বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত সংঘর্ষ।
ওয়েবসাইটঃ https://joinborderguard.bgb.gov.bd/

নির্বাচনী প্রক্রিয়া এবং মেডিক্যাল পরীক্ষা গ্রহণ

নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রার্থীদের পর্যায়ক্রমে প্রাথমিক ডাক্তারী পরীক্ষা, লিখিত পরীক্ষা, ব্যবহারিক এবং চূড়ান্ত ডাক্তারী পরীক্ষা গ্রহন করতে হবে।

শুধুমাত্র নির্বাচিত প্রার্থীদেরকেই পরবর্তীতে Fasting Sugar, HbA1C, HBsAg, Anti HCV, Serum Creatinine এবং Dope Test সম্পন্ন করতে হবে।

উল্লেখ্য, Fasting Sugar, HbA1C & Serum Creatinine রক্ত পরীক্ষায় যোগ্য, HBs Ag ও Anti HCV রক্ত পরীক্ষায় নেগেটিভ (Negative) এবং Dope Test (Urine) পরীক্ষায় Not Detected ফলাফল প্রাপ্ত প্রার্থীগণই চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত বলে গণ্য হবে।

পরবর্তীতে সরকারের যথাযথ এজেন্সীর মাধ্যমে তদন্ত প্রতিবেদন (VR) সম্পন্ন হওয়ার পর সঠিক তদন্ত প্রতিবেদন প্রাপ্তি সাপেক্ষে নিয়োগপত্র প্রদান করা হবে।

বিষয়:বি.জি.বি

প্রতিটা প্রশ্নের মান = ১

“বি.জি.বি” এর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

প্রশ্ন-১. “বি.জি.বি” সংস্থাটির আগের নাম কি ছিল ?

ক. বাংলাদেশ রাইফেলস খ. বডার গার্ড গ. সীমান্ত বাহিনী ঘ. বডার গার্ড বাংলাদেশ

প্রশ্ন-২. সংস্থাটির প্রমথ প্রধারনর নাম কি ছিলো ?

ক. জেনারেল শফিকুল ইসলাম খ. মেজর জেনারেল চিত্ত রঞ্জন দত্ত গ. জেনারেল আশফাকুর রহমান ঘ. জেনারেল ওসমান

প্রশ্ন-৩. সংস্থাটির বর্তমান মহাপরিচালকের নাম কি ?

ক. জেনারেল শফিকুল ইসলাম খ. জেনারেল আশফাকুর রহমান গ. মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী ঘ. জেনারেল আতিউর রহমান

প্রশ্ন-৪. বিজিবির স্লোগান কি ?

ক. সীমান্তে উজ্জল খ. সীমান্ত আমাদের ঠিকানা গ. সীমান্ত আমাদের ঘ. সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী

প্রশ্ন-৫. বডার গার্ড বাংলাদেশ কবে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করেন ?

ক. ২০ জানুয়ারী ২০১১ খ. ২১ জানুয়ারী ২০১১ গ. ২২ জানুয়ারী ২০১১ ঘ. ২৩ জানুয়ারী ২০১১

প্রশ্ন-৬. বডার গার্ড বাংলাদেশ দিবস পালিত হয় কবে ?

ক. ২০ ডিসেম্বর খ. ২১ ডিসেম্বর গ. ২২ ডিসেম্বর ঘ. ২৩ ডিসেম্বর

প্রশ্ন-৭. বিজিবির নাম এ পর্যন্ত পরিবর্তন করা হয়েছে কত বার ?

ক. ৫ খ. ৬ গ. ৭ ঘ. ৮

প্রশ্ন-৮. বিজিবির সদর দপ্তর কোথয় অবস্থিত ?

ক. পিলখানা, ঢাকা খ. সাভার, ঢাকা গ. ধানমন্ডি, ঢাকা ঘ. ক্যান্টন্মেন্ট, ঢাকা

প্রশ্ন-৯. বিজিবিকে জাতীয় পতাকা প্রদান করা হয় ?

ক. ১ মার্চ ১৯৮০ সালে খ. ২ মার্চ ১৯৮০ সালে গ. ৩ মার্চ ১৯৮০ সালে ঘ. ৪ মার্চ ১৯৮০ সালে

প্রশ্ন-১০. মুক্তিযুদ্ধে বিজিবি'র কতজন সদস্য বীরশ্রেষ্ঠ উপাধি দেয়া হয় ?

ক. ৫ খ. ৪ গ. ৩ ঘ. ২ জন

প্রশ্ন-১১. মুক্তিযোদ্ধে অবদানের জন্য বিজিবি স্বাধীনতা পুরস্কার পায় ?

ক. ২০০৬ সালে খ. ২০০৭ সালে গ. ২০০৮ সালে ঘ. ২০০৯ সালে

প্রশ্ন-১২. পিলখানা বিদ্রাহ কবে সংগঠিত হয় ?

ক. ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ সালে খ. ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ সালে গ. ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ সালে ঘ. ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ সালে

প্রশ্ন-১৩. বিদ্রাহী বিডিআর জওয়ানরা আত্মসমর্পণ করে ?

ক. ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ সালে খ. ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ সালে গ. ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ সালে ঘ. ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ সালে

প্রশ্ন-১৪. অপারেশন বেরেল হান্ট কি ?

ক. বিদ্রাহের সঙ্গে জডিত ব্যক্তিদের ধরার জন্য অভিযান খ. বিডিআর বিদ্রাহের সঙ্গে জডিত ব্যক্তিদের ধরার জন্য অভিযান গ. আওয়ামী লীগের সঙ্গে জডিত ব্যক্তিদের ধরার জন্য অভিযান ঘ. দুষ্কৃতির সঙ্গে জডিত ব্যক্তিদের ধরার জন্য অভিযান

প্রশ্ন-১৫. মুক্তিযোদ্ধে অবদানের জন্য বিজিবি'র খেতাব প্রাপ্ত সদস্য সংখ্যা ?

ক. ১৪০ জন খ. ১৪১ জন গ. ১৪২ জন ঘ. ১৪৩ জন

প্রশ্ন-১৬. স্বাধীনতা যুদ্ধে বিজিবি'র সদস্য শহীদ হন ?

ক. ৮১৯ জন খ. ৮২০ জন গ. ৮২১ জন ঘ. ৮২২ জন

প্রশ্ন-১৭. বিজিবির প্রতীক কি ?

ক. বিশেষ বেজমেন্টে আবদ্ধ ক্রস রাইফেলের ওপর শাপলা খ. রাইফেলের ওপর শাপলা গ. বিশেষ বেজমেন্টে আবদ্ধ ক্রস রাইফেল ঘ. কোনটিই নয়

প্রশ্ন-১৮. বিজিবির সেক্টর কয়টি ?

ক. ১২ টি খ. ১৩ টি গ. ১৪ টি ঘ. ১৫ টি

প্রশ্ন-১৯. বিজিবির ব্যাটালিয়ন কয়টি ?

ক. ৪৪ টি খ. ৪৫ টি গ. ৪৬ টি ঘ. ৪৭ টি

প্রশ্ন-২০. পাকিস্থান আমলে বাংলাদেশ রাইফেলস এর নাম কি ছিল ?

ক. পশ্চিম পাকিস্থান রাইফেলস খ. পূর্ব পাকিস্থান রাইফেলস গ. পাকিস্থান রাইফেলস ঘ. কোনটিই নয়

সঠিক উত্তর দেখতে এখানে ক্লিক করুন